1. ma.zaman.news@gmail.com : Asaduzzaman Mollah : Asaduzzaman Mollah
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ১১:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাশিয়ানীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দাদি-নাতিসহ তিনজনের মৃত্যু কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দাদি-নাতিসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার রাজপাট ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- তেঁতুলিয়া গ্রামের মোশারেফ শিকদারের স্ত্রী রাহেলা বেগম (৫০) ও তার নাতি সজীব শিকদারের ছেলে সাইফান সিকদার (৮) এবং প্রতিবেশী হানিফ শিকদারের ছেলে ইরান শিকদার (৫৫)। কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উপজেলার উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের সজীব শিকদারের বাড়ির পাশে বোরো ধানের চারা ইঁদুরের হাত থেকে রক্ষার জন্য বিদ্যুতের তার দিয়ে ফাঁদ তৈরি করা ছিল। সেখানে তারের লিকেজে প্রথমে শিশু সাইফান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তাকে বাঁচাতে তার দাদি রাহেলা বেগম ছুটে গিয়ে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। ওই দুজনকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিবেশী ইরান শিকদারও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। নাতি সাইফানকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কাশিয়ানী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা। ফুকরা মদন মোহন একাডেমীর বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ প্রিয় নেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে ঢাকায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল কাশিয়ানীতে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ৪ মুকসুদপুরে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ কোটালীপাড়ায় আওয়ামী লীগ নেতা গ্রেফতার গোপালগঞ্জে বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত গোবিপ্রবি’র শিক্ষকের বিরুদ্ধে ‘অপপ্রচার’, ফুঁসে উঠেছে শিক্ষার্থীরা প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিক্ষক ড. রাজিউর রহমান

কাশিয়ানীতে ঈদের ছুটিতেও সেবা দিয়েছে মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র

  • Update Time : রবিবার, ১৫ জুন, ২০২৫
  • ৫৮২ Time View

জেলা প্রতিনিধি, গোপালগঞ্জ: ঈদুল আজহার ছুটিতেও গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার রামদিয়া ১০ শয্যাবিশিষ্ট মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে ২৪ ঘণ্টা প্রসবকালীন সেবা পেয়েছেন গর্ভবতী নারীরা।

ঈদের দিনে সেবা পেয়ে খুশি গর্ভবর্তী মা ও তাদের পরিবার।

পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের নির্দেশনায় পরিবার পরিকল্পনা এ সেবা চালু রাখা হয়।

এবার ঈদুল আজহার সরকারি ছুটিতে কেন্দ্রটিতে তিনটি নরমাল ডেলিভারি করানো হয়। এ ছাড়া অন্যান্য দিনের মতো গর্ভবতী মায়েদের নিয়মিত চেকআপ, প্রসব পরবর্তী পরিচর্যা, নবজাতক শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা এবং পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ক পরামর্শ ও পদ্ধতি প্রদান করা হয়।

গোপালগঞ্জ জেলা পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অভিভাবক উপ পরিচালক সোহেল পারভেজ, সহকারী পরিচালক শেখ মো. আরমান, সহকারী পরিচালক সিসি ডা. শুভ্রদেব হীরার সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এছাড়া সার্বিক সহযোগিতা করেন উপজেলার মেডিকেল অফিসার এমসিএইচএফপি ডা. মৌসুফা বিনতে রেজা ও বেথুড়ী ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা পরিদর্শক অনিমেষ চন্দ্র বিশ^াস।

মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দের পরিদর্শিকা স্বপ্না খানম বলেন, ‘ঈদের দিন সবাই যখন পরিবার নিয়ে ঈদ আনন্দে ব্যস্ত। আমরা তখন রোগীদের সেবা দিতে ব্যস্ত সময় পার করছি। সেবা দিয়ে যখন একজন রোগীর মুখে হাসি দেখতে পাই, তখনই মনে হয় এটাই আমাদের ঈদের আনন্দ। রোগীরাও আমাদের পরিবারের মতো। তাদের পাশে থাকাও এক ধরণের আনন্দ। এবার ঈদের ছুটিতে ৩টি নরমাল ডেলিভারিসহ গর্ভবতী মায়েরদের অন্যান্য সেবা দিয়েিেছ।’

গোপালগঞ্জ পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সোহেল পারভেজ বলেন, ‘পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় জেলা ও উপজেলা কর্মকর্তাদের তদারকিতে মাঠপর্যায়ের কর্মচারীরা ঈদের ছুটিতেও সেবাদান কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হয়। ছুটির মধ্যে কাশিয়ানীর রামদিয়া মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে সেবা কার্যক্রম চলমান ছিল।’

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

কাশিয়ানীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দাদি-নাতিসহ তিনজনের মৃত্যু কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দাদি-নাতিসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার রাজপাট ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- তেঁতুলিয়া গ্রামের মোশারেফ শিকদারের স্ত্রী রাহেলা বেগম (৫০) ও তার নাতি সজীব শিকদারের ছেলে সাইফান সিকদার (৮) এবং প্রতিবেশী হানিফ শিকদারের ছেলে ইরান শিকদার (৫৫)। কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উপজেলার উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের সজীব শিকদারের বাড়ির পাশে বোরো ধানের চারা ইঁদুরের হাত থেকে রক্ষার জন্য বিদ্যুতের তার দিয়ে ফাঁদ তৈরি করা ছিল। সেখানে তারের লিকেজে প্রথমে শিশু সাইফান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তাকে বাঁচাতে তার দাদি রাহেলা বেগম ছুটে গিয়ে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। ওই দুজনকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিবেশী ইরান শিকদারও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। নাতি সাইফানকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কাশিয়ানী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

কাশিয়ানীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দাদি-নাতিসহ তিনজনের মৃত্যু কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দাদি-নাতিসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার রাজপাট ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- তেঁতুলিয়া গ্রামের মোশারেফ শিকদারের স্ত্রী রাহেলা বেগম (৫০) ও তার নাতি সজীব শিকদারের ছেলে সাইফান সিকদার (৮) এবং প্রতিবেশী হানিফ শিকদারের ছেলে ইরান শিকদার (৫৫)। কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উপজেলার উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের সজীব শিকদারের বাড়ির পাশে বোরো ধানের চারা ইঁদুরের হাত থেকে রক্ষার জন্য বিদ্যুতের তার দিয়ে ফাঁদ তৈরি করা ছিল। সেখানে তারের লিকেজে প্রথমে শিশু সাইফান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তাকে বাঁচাতে তার দাদি রাহেলা বেগম ছুটে গিয়ে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। ওই দুজনকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিবেশী ইরান শিকদারও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। নাতি সাইফানকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কাশিয়ানী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

© All rights reserved © 2024