1. ma.zaman.news@gmail.com : Asaduzzaman Mollah : Asaduzzaman Mollah
  2. jmitsolution24@gmail.com : support :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ব্যবসায়ীকে জড়িয়ে মিথ্যা অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন কাশিয়ানীর ফুকরা ইউনিয়নে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন ভোরে ট্রাক চুরি, দুপুরে ফিরিয়ে দিতে ফোন করে টাকা দাবি কাশিয়ানীতে সীমানা প্রাচীর নিয়ে সংঘর্ষে নারীসহ আহত ১০ কাশিয়ানীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দাদি-নাতিসহ তিনজনের মৃত্যু কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দাদি-নাতিসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার রাজপাট ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- তেঁতুলিয়া গ্রামের মোশারেফ শিকদারের স্ত্রী রাহেলা বেগম (৫০) ও তার নাতি সজীব শিকদারের ছেলে সাইফান সিকদার (৮) এবং প্রতিবেশী হানিফ শিকদারের ছেলে ইরান শিকদার (৫৫)। কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উপজেলার উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের সজীব শিকদারের বাড়ির পাশে বোরো ধানের চারা ইঁদুরের হাত থেকে রক্ষার জন্য বিদ্যুতের তার দিয়ে ফাঁদ তৈরি করা ছিল। সেখানে তারের লিকেজে প্রথমে শিশু সাইফান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তাকে বাঁচাতে তার দাদি রাহেলা বেগম ছুটে গিয়ে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। ওই দুজনকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিবেশী ইরান শিকদারও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। নাতি সাইফানকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কাশিয়ানী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা। ফুকরা মদন মোহন একাডেমীর বার্ষিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ প্রিয় নেত্রীকে শেষ বিদায় জানাতে ঢাকায় সর্বস্তরের মানুষের ঢল কাশিয়ানীতে বাস-ইজিবাইক সংঘর্ষে নিহত ৪ মুকসুদপুরে আ’লীগ নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ

রাতে যেসব ফল খেলে ঘুম ভালো হয়

  • Update Time : শনিবার, ২ মার্চ, ২০২৪
  • ৭৪২ Time View
Healthy fruit salad with strawberry grape apple and kiwi - healthy breakfast

অনেকেই রাতের খাবারের পর ঘুমানোর আগে কিছু খাওয়া এড়িয়ে চলে। চিকিৎসকরা ঘুমানোর ঠিক আগেই রাতের খাবারের খেতে নিষেধ করে। তবে যাদের নিদ্রাহীনতার সমস্যা রয়েছে, তারা ঠিক ঘুমানোর আগে কিছু নির্দিষ্ট ফল খেতে পারেন। এসব ফল অনিদ্রার সমস্যা দূর করতে পারে। জেনে নিন কোন ফলগুলো নিদ্রাহীনতার সমস্যা দূর করতে কার্যকর-

কিউয়ি: অনেকেই ফলের সালাদে সবুজ ভিন্ন স্বাদের এই ফল খেতে পছন্দ করে। তবে এই ফল ঘুমের ক্ষেত্রেও সাহায্য করে। চ্যাপেল হিলে অবস্থিত উত্তর ক্যালোরিনার বিশ্ববিদ্যালয় এই ব্যাপারে একটা রিপোর্ট তৈরি করেছিল। তাদের মতে, ঘুমানোর আগের ১ ঘণ্টার মধ্যে ২ টি কিউয়ি খাওয়া উচিত। এতে মাঝরাতে ঘুম ভেঙে যাওয়ার সমস্যা শতকরা ৩০ ভাগ পর্যন্ত দূর হয়। যাদের বার বার ঘুম ভেঙে যাওয়ার সমস্যা আছে, তাদের অবশ্যই কিউয়ি খাওয়ার অভ্যাস গড়তে হবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

কাশিয়ানীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দাদি-নাতিসহ তিনজনের মৃত্যু কাশিয়ানী (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দাদি-নাতিসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারী) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার রাজপাট ইউনিয়নের তেঁতুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- তেঁতুলিয়া গ্রামের মোশারেফ শিকদারের স্ত্রী রাহেলা বেগম (৫০) ও তার নাতি সজীব শিকদারের ছেলে সাইফান সিকদার (৮) এবং প্রতিবেশী হানিফ শিকদারের ছেলে ইরান শিকদার (৫৫)। কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, উপজেলার উপজেলার তেঁতুলিয়া গ্রামের সজীব শিকদারের বাড়ির পাশে বোরো ধানের চারা ইঁদুরের হাত থেকে রক্ষার জন্য বিদ্যুতের তার দিয়ে ফাঁদ তৈরি করা ছিল। সেখানে তারের লিকেজে প্রথমে শিশু সাইফান বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হলে তাকে বাঁচাতে তার দাদি রাহেলা বেগম ছুটে গিয়ে তিনিও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। ওই দুজনকে বাঁচাতে গিয়ে প্রতিবেশী ইরান শিকদারও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে মারা যান। নাতি সাইফানকে গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা মুকসুদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। কাশিয়ানী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে বলে জানান পুলিশের ওই কর্মকর্তা।

© All rights reserved © 2024